• Page Views 28

আমেরিকান আইটিতে বাংলাদেশিরা দৃশ্যমান হয়ে উঠছে

আবু বকর হানিফ, বাংলাদেশের চুয়েট থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা শেষ করে নিউইয়র্কে আসেন উচ্চতর শিক্ষার জন্য। তিনি নিউইয়র্কে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স করেন এবং আমেরিকায় ওরাকল করপোরেশন, আইবিএমসহ বড় বড় সংস্থায় ডেটাবেইস অ্যাডমিন, সিস্টেম অ্যাডমিন, সিস্টেম এনার্জি পদে চাকরি করেছেন। পেশার সফলতা যখন তাঁর হাতের মুঠোয়, একের পর এক সিঁড়ি ভেঙে যখন তিনি ক্যারিয়ারের শীর্ষের দিকে চলেছেন, তখনই সবাইকে চমকে দিয়ে, সোনালি সময়কে ফেলে, চাকরি ছেড়ে গড়ে তোলেন পিপলএনটেক, আইটি প্রফেশনাল গড়ে তোলার প্রতিষ্ঠান। সেখানে নিজেকে তিনি উপস্থাপন করলেন আইটি প্রফেশনাল তৈরি করার সুনিপুণ কারিগর হিসেবে। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আদনান সৈয়দ

আদনান: কীভাবে শুরু করলেন?

হানিফ: আমি যখন উচ্চতর শিক্ষার জন্য নিউইয়র্কে আসি, দুটো জিনিস আমার চোখে পড়ে। উজ্জ্বল সম্ভাবনাময়, মেধাবী বাংলাদেশি তরুণ-তরুণীরা অডজব করছে। তাদের দুই চোখে স্বপ্ন কঠিন শ্রমের ক্লান্তিতে নিষ্প্রভ হয়ে যাচ্ছে, হারিয়ে যাচ্ছে সুন্দর জীবনের পরিকল্পনা, যার জন্য ওরা অনেক আকাশ উড়ে এই ‘কান্ট্রি অব অপরচুনিটি’র দেশ আমেরিকায় এসেছিল। চারদিকে শত শত বাংলাদেশি আঞ্চলিক, রাজনৈতিক ও কমিউনিটির কল্যাণকামী সংগঠন মুখে বলছে, আমরা মূলধারায় পৌঁছে দেব আমাদের কমিউনিটিকে। কিন্তু, কীভাবে? আমি এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে শুরু করি। কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স ডিগ্রি নেওয়ার পর আমি করপোরেট আমেরিকায় চাকরি নিই। সেখানে ভারত, চীন ও দক্ষিণ এশিয়ার লোকজন থাকলেও বাংলাদেশি আইটি প্রফেশনাল কারও দেখা পাইনি অনেক বছর। সেই সময়ে, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে একটি এক্সক্লুসিভ লেখা পড়ি, কীভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু হায়দরাবাদকে ইন্ডিয়ার আইটি হাব হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। কীভাবে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কমিউনিটিকে আধুনিক করে গড়ে তুলেছিলেন। বলতে পারেন, সেখান থেকেই আমি আমার প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাই। আমি একটি প্রাগমেটিক প্রোগ্রাম হাতে নিই, কীভাবে অডজব থেকে কত দ্রুত বাংলাদেশিদের আইটি জবে ঢুকিয়ে দেওয়া যায়। আমি আমার চাকরি ছেড়েছিলাম ঠিকই, কিন্তু আমেরিকায় আমার প্রজন্মকে অডজবের ক্লান্তি আর হতাশার ভেতরে আমি হারিয়ে যেতে দিতে চাইনি।

আদনান: আমরা জানি, আপনার আইটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট পিপলএনটেক আমেরিকান আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে প্রচুর পরিমাণে বাংলাদেশিকে চাকরি পেতে সাহায্য করেছে এবং প্রতি সপ্তাহে গড়ে চার-পাঁচজন চাকরি পাচ্ছে। আমেরিকার চাকরির বাজার যখন খুব নাজুক অবস্থা ঠিক তখন আপনি কাজটি কীভাবে করছেন?

হানিফ: আদনান, যে কথা একটু আগেই আপনাকে বলেছিলাম। আমি যখন আইটিতে চাকরি করছি, আমার চারপাশে ও ফরচুন ফাইভ হান্ড্রেড কোম্পানির আইটিতে বাংলাদেশিদের উপস্থিতি ছিল না। তখন আমি ভার্জিনিয়ায়। নিউইয়র্ক থেকে আমার এক সহপাঠী আমাকে জানাল, কোনো কিছুতেই সে আর সার্ভাইভ করতে পারছে না। ট্যাক্সি ছেড়ে একটা গাড়ি মেরামতের গ্যারেজ খুলেছিল। সেটাও চলছে না। আমি তাকে আমার কাছে চলে আসতে বললাম। এক সন্ধ্যায় গ্যারেজের ঝাঁপ বন্ধ করে দিল। পকেটে ১০ ডলার নিয়ে নিউইয়র্ক ছাড়ল। আমি তাকে তিন মাস আইটি ট্রেনিং দিলাম। ট্রেনিং শেষে বিখ্যাত একটি আইটি কোম্পানিতে চাকরি দিলাম। সেই থেকে আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এখন সে একজন সুপ্রতিষ্ঠিত আইটি প্রফেশনাল। বলতে পারেন, সেই আমার শুরু। আমি ভার্জিনিয়ায় পিপলএনটেক প্রতিষ্ঠা করি ২০০৫ সালে হাতে গোনা কয়েকজন উৎসাহী স্টুডেন্ট নিয়ে। হ্যাঁ, আপনি ঠিকই জেনেছেন, এ পর্যন্ত আমি আমেরিকান আইটিতে অনেক বাংলাদেশির চাকরি দিয়েছি।

আদনান: যারা আপনার মাধ্যমে আইটি খাতে চাকরি পাচ্ছে, তারা কি সবাই কম্পিউটার সায়েন্সের? বাংলাদেশের একাডেমিক যোগ্যতা থাকলে চলে, নাকি আমেরিকান ডিগ্রি দরকার হয় এখানকার আইটিতে চাকরি পেতে?

হানিফ: আপনি জানেন, আমেরিকার যেকোনো কলেজ বা ভার্সিটিতে যেকোনো বিষয় আপনি পড়ালেখা করতে পারেন। সেখানে কোন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আপনি এসেছেন কিংবা আপনার বয়স কত, বিবেচ্য নয়। লিবারেল আর্টস থেকে ইচ্ছা করলে কেউ অ্যাস্ট্রো-ফিজিকস পড়তে পারেন, যেটা বাংলাদেশে সম্ভব নয়। না। আমার এখানে যারা আইটি ট্রেনিং নেয়, তাদের ক্ষেত্রে কম্পিউটার সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড বা আমেরিকান ডিগ্রির দরকার হয় না। এ প্রসঙ্গে একটি কথা বলে রাখি, শুধু আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি থাকলেই সেই ব্যক্তি একটি ভালো পেশায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে এই ধারণায় আমি বিশ্বাসী নই। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সনদ থাকাটাই শেষ কথা নয়; বরং সেই সনদের যথাযথ ও প্রায়োগিক ব্যবহার অবশ্যই দেখার বিষয়। অর্থাৎ আমি বলতে চাই যে আমি আমার প্রতিটি ছাত্রছাত্রীকে এখানকার রিয়েল টাইম প্রজেক্টের মাধ্যমে আইটি পেশার জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে রিয়েল-ওয়ার্ল্ড চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার যোগ্য করে থাকি। আমার স্বপ্ন আমেরিকার করপোরেট আইটি চাকরিতে যত দ্রুত সম্ভব ভারতীয়দের প্রাধান্য কমিয়ে আনব বাংলাদেশিদের অধিক সংখ্যায় চাকরি দিয়ে। এ লক্ষ্যে আমি এডুকেশন ব্যাকগ্রাউন্ডকে কোনো বাধা মনে করিনি। আমি ট্যাক্সিচালক, রেস্টুরেন্টের বয়, গ্যাস স্টেশনের অ্যাটেনডেন্ট, রিটেল দোকানের ক্যাশিয়ার, হাউস-ওয়াইফ—সবাইকে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরি দিয়েছি। এতে করে তাদের জীবনযাপনের স্টাইল পাল্টে গেছে। তাদের পাঠানো টাকা বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি রিজার্ভকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে চলেছে। আমেরিকান আইটিতে বাংলাদেশিরা দৃশ্যমান হয়ে উঠছে।

আদনান: আপনি শুরু করেছিলেন ভার্জিনিয়ায়। তারপর এখন নিউইয়র্কে আরেকটি শাখা করলেন, ভবিষ্যতে আরও কি সম্প্রসারণ করবেন?

হানিফ: হ্যাঁ, অবশ্যই করব। কানাডার টরন্টোতে আমার একটি শাখা হয়েছে বছরখানেক আগে। অনলাইন লাইভ ক্লাসের আওতায় সমগ্র আমেরিকার বিভিন্ন স্টেটের বাংলাদেশিরা ট্রেনিং নিচ্ছেন। এ ছাড়া লন্ডন, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে অনেকে ক্লাস করছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ছাত্রছাত্রী আমাদের সফটওয়্যার টেস্টিং, ডেটাবেইস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ক্লাস নিচ্ছেন। এঁদের বেশির ভাগই ইমিগ্রেশন ভিসা ও এইচ ওয়ান ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় আসার প্রত্যাশায় আছেন। শুনলে খুশি হবেন যে বিমান থেকে নেমেই এরা আইটি জবে যোগ দিতে পারবেন; কোনো রকম অডজব এদের গ্রাস করার সুযোগই পাবে না। আমার ইচ্ছে আমার এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশেও যাতে প্রশিক্ষণার্থীরা কাজ করতে পারেন তার যথাযথ ব্যবস্থা করা। আমেরিকার আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে কীভাবে আইটি প্রয়োগ হচ্ছে সে টেকনোলজি আমি বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় ছড়িয়ে দিতে চাই। আমি করপোরেট আমেরিকার আইটি বাজারে টিকে থাকতে এবং বাংলাদেশে হাই-টেক ভিলেজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছি। ‘ব্রেন-ড্রেন’ বলে অপচয়ের নিন্দিত যে কথা আমরা শুনে আসছি, তাকে নন্দিত স্লোগানে পাল্টে দিতে চাই, নতুন করে বলাতে চাই, ‘ব্রেন-অ্যাগেইন’ অর্থাৎ অর্জিত উন্নততর প্রযুক্তিকে বাংলাদেশে নিয়ে যেতে চাই। তার যথার্থ প্রয়োগে কলোনিয়াল অবকাঠামো বদলে দিয়ে স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত এবং দেশের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে এমন একটা অবকাঠামো গড়ে তুলতে চাই। বাংলাদেশ সরকারের সহায়তা পেলে আমি অচিরেই বাংলাদেশে আইটির ওপর স্পেশালাইজড প্রতিষ্ঠান করব, যা অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে সিলিকন ভ্যালি তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে ইনশা আল্লাহ।

আদনান: আপনি বলছিলেন, বাংলাদেশে সিলিকন ভ্যালি করার স্বপ্ন রয়েছে আপনার। আমরা চাই আপনার স্বপ্ন অচিরেই বাস্তবায়িত হোক। এই প্রসঙ্গে জানতে চাইব, বাংলাদেশ পশ্চিমের অগ্রসর প্রযুক্তি গ্রহণে ও প্রয়োগে কতটা তৈরি? বাংলাদেশের যেসব সম্ভাবনাময় মানুষ সুযোগের অভাবে দ্বিধাদ্বন্দ্বে দোলায়মান, তাদের জন্য আপনি কী ধরনের নির্দেশনা দিতে পারেন।

হানিফ: আদনান, আমি স্বপ্নচারী। আমি স্বপ্নের ফেরিওয়ালা, আমি স্বপ্ন দেখি এবং স্বপ্ন দেখাই। আমি স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে দারুণ আনন্দ লাভ করি। টর্নেডোচেজারদের মতো বলতে পারেন, আমি একজন ড্রিমচেজার। আন্তরিকভাবে সবাই কাজ করলে দেখবেন বাংলাদেশ একসময় দক্ষিণ এশিয়ার হাইটেক সিলিকন ভ্যালি হয়ে উঠবে। সত্যি কথা বলতে কি, অগ্রসর প্রযুক্তি প্রয়োগে বাংলাদেশ পুরো মাত্রায় তৈরি না। সেখানে অবকাঠামো নেই। তবে, প্রচুর উৎসাহী ও মেধাবী মানুষ আছে, যারা পশ্চিমের উত্তরণকে গ্রহণ এবং তাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারবে। আপনি জেনে খুশি হবেন যে আমি আমেরিকার মূলধারার একটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে সম্পৃক্ত আছি। খুব অচিরেই আমাদের প্রথম সফটওয়্যার, আমেরিকার শপিং বাণিজ্যে চমক সৃষ্টি করতে আসছে। এই সফটওয়্যারটি সম্পূর্ণভাবে আমাদের নির্দেশনায় বাংলাদেশের প্রোগ্রামারদের হাতে তৈরি হচ্ছে। এ থেকে বুঝে নিতে পারবেন যে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশের মেধা অর্থাৎ ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টিজ কতটা উন্নত, বিশ্বমানের। শুধু যাঁরা দেশের পরিকল্পনা তৈরি করেন এবং রাষ্ট্রকে পরিচালনা করেন, তাঁদের বিজ্ঞানমনস্ক হওয়া দরকার। তাঁদের দূরদৃষ্টি এ ক্ষেত্রে খুবই সহায়ক। আমরা মার্কিন মূলধারায় তখনই সম্মানের সঙ্গে চলতে পারব, যখন বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তিতে বিশ্ববাজারে শামিল করতে সক্ষম হব। সে লক্ষ্যে আমি কাজ করে যাচ্ছি।

আদনান: কাজের স্বীকৃতি একজন উদ্যোক্তাকে মূলত অভিবাদন জানায়, তাকে অনুপ্রাণিত করে এবং তার উত্তরণের পথে উৎসাহ জোগায়। আপনি কি আপনার এই টেকনোলজি অ্যাকটিভিজমের জন্য কোনো স্বীকৃতি পেয়েছেন?

হানিফ: আদনান, আমার কাজের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি আমার ছাত্রছাত্রী, যারা আমাকে কেন্দ্র করে আবর্তন করছে। আমার চার-চারটা ফোন সারাক্ষণ বাজতে থাকে ওদের কলে, ওদের চাকরি পাওয়ার এবং চাকরিতে সাফল্যের সুসংবাদে আমি যে মুগ্ধ হয়ে উঠি, তার চেয়ে বড় পুরস্কার আর কী হতে পারে? তবুও প্রণত শ্রদ্ধায় বলতে চাই, আমি বিভিন্ন সংগঠন থেকে প্রচুর সম্মাননা পেয়েছি। নিউইয়র্ক সিটিহল থেকে কমিউনিটি কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য এবং আমেরিকান মেন স্ট্রিমে বাংলাদেশিদের এগিয়ে নেওয়ার কাজে বিশেষ ভূমিকা পালনের জন্য স্বাধীনতা প্রক্লামেশন লাভ করেছি।

আদনান: আপনাকে ধন্যবাদ সময় দেওয়ার জন্য এবং দেশের মানুষকে আপনার সাফল্য ও স্বপ্নের গল্প জানানোর জন্য।
হানিফ: ধন্যবাদ আপনাকেও।

Source:Prothom Alo

Share

যুক্তরাজ্যে ঢাবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা

Next Story »

শঙ্কায় প্রবাসীরা

Leave a comment

LifeStyle

  • এখন তো সময় খিচুড়ির!

    14 hours ago

    তুমুল বৃষ্টিতে সুউচ্চ কোনো ভবনে ব্যাটম্যান দাঁড়িয়ে আছে। সেখান থেকেই সে আলফ্রেডের প্রতি হুংকার ছেড়ে বলছে, ‘আলফ্রেড, খিচুড়ি চড়া।’ কিন্তু ঘটনাটি সিনেমা ...

    Read More
  • দাঁতের ব্যথা দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়

    16 hours ago

    দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন ধরণের সমস্যার কারণে হতে পারে দাঁত ব্যথা। যেমন- ক্যাভিটি, মাড়ির সমস্যা, দাঁতে ইনফেকশন, দাঁত দিয়ে রক্ত পরা, দাঁতের গোঁড়া ...

    Read More
  • পাকা পেঁপে মিষ্টি হলেও ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ক্ষতিকর নয়!

    2 days ago

    ডায়াবেটিস মানেই সবরকম মিষ্টি খাবারকে বিদায় জানাতে হয়। এমনকি মিষ্টি জাতীয় ফলও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ পড়ে। কারণ বেশিরভাগ লোকেরই ধারণা, মিষ্টি জাতীয় ...

    Read More
  • অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মাতে পারে শিশু

    2 days ago

    প্রেগন্যান্সিতে দুর্বলতা, জ্বর বা ছোটখাট ইনফেকশন হওয়া খুবই স্বাভাবিক সমস্যা। এই সব ছোটখাট সমস্যায় চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে অনেকে বাড়িতে অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে ...

    Read More
  • কেমন হওয়া উচিত সকালের নাস্তা?

    3 days ago

    সকালের নাস্তা আমাদের শরীরে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে, কিংবা ভালো স্বাস্থ্যের জন্য সকালের নাস্তা অত্যাবশ্যকীয়- এমন কথা আমরা অনেকের কাছেই শুনেছি। কিন্তু, সকালের ...

    Read More
  • বেশি ঘুমের ক্ষতি অনেক

    3 days ago

    অনেকেই ছুটির দিনে বা অলস সময়ে খুব বেশি ঘুমাতে পছন্দ করেন। কেউ কেউ আবার কোনো কারণ ছাড়াই দীর্ঘক্ষণ বিছানায় থাকতে আসক্ত। কথায় ...

    Read More
  • ওজন কমাতে পানি

    4 days ago

    প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পানের ফলে অন্যান্য খাদ্য গ্রহণের চাহিদা তুলনামূলকভাবে কমে যায়। ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার ও পানীয় পানের প্রতিও ঝোঁক কমে ...

    Read More
  • অন্ধকারে স্মার্টফোন ব্যবহার ডেকে আনতে পারে ভয়ানক বিপদ

    5 days ago

    ঘুমাতে যাওয়ার আগে এবং ঘুম থেকে উঠে হাত চলে যায় ফোনের দিকে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফোনের দিকে তাকিয়ে কাজ করতে করতে ...

    Read More
  • মাওয়া ঘাটে ইলিশ সকাল

    5 days ago

    লাল শার্ট পরা দশাসই চেহারার মাছবিক্রেতা। ‘বড় ইলিশ নেবেন?’ বলে ধরলেন এক ইলিশ। হাতে ধরা ইলিশটিও তাঁর মতোই দশাসই। ওজন কমসে কম ...

    Read More
  • থানকুনি পাতার ঔষধি গুণ

    6 days ago

    আপনার চারপাশে এমন কিছু ভেষজ আছে যেগুলো শুধু আপনার ব্যয়ই কমাবে তাই নয়, সাথে সাথে রোগ থেকেও পরিত্রাণ দিবে আপনাকে। থানকুনি এমনি ...

    Read More
  • Read

    More