July 24, 2024, 5:38 am

ঘরের কাজে ও সাজে বেতের বাসন

Reporter Name

পরিবেশের প্রতি সচেতনতা কিংবা স্বাস্থ্য সতর্কতা বিবেচনা করে বাসন হিসেবে বেতের সামগ্রী হয়ে উঠেছে বেশ জনপ্রিয়। গ্রামীণ সমাজ থেকে শুরু করে শহুরে পরিবেশে, দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে পাহাড়ি বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর বেতের বাসন যেন সবার কাছেই পছন্দের। রান্নাঘরের ব্যবহূত জিনিস নান্দনিকতার পরিচয় বহন করে। সবাই চান ঘর একটু আলাদা করে সাজাতে।

কেউ কেউ তো বাসন কিনতেই খরচ করেন লাখ টাকা। অন্যদিকে দেশীয় পণ্য বেতের বাসনের সমাদর এখন দেশ পেরিয়ে গোটা এশিয়া ও ইউরোপে। ফলের ঝুড়ি, কুলা, ফুলদানি, ট্রে, বাটি ইত্যাদি বেতের বাসনের চাহিদা বেশি। বেতের যেসব বাসন বিক্রি হয় তার মধ্যে চাহিদার দিক থেকে ফলের ঝুড়ি থাকে সবার ওপরে।

অনেকের খাওয়ার টেবিলে কিংবা ফ্রিজে একটা ফলের ঝুড়ি থাকা চাই-ই। সুন্দর একটি ফলের ঝুড়ি বদলে দেয় খাবার টেবিলের সৌন্দর্য। ঢাকার অলিগলিতে কিংবা বিভিন্ন দেশীয় পণ্যের দোকানেই পাবেন এই ফলের ঝুড়ি। কুলা একটি দেশীয় বাসন।

শহরের তুলনায় গ্রামে এর ব্যবহার বেশি। ধান মাড়াইয়ের পর কুলার ব্যবহার বেশি দেখা যায়। এ ছাড়া বিভিন্ন বীজ রোদে শুকানোর জন্যও এই কুলা ব্যবহূত হয়। যত দিন যাচ্ছে শহরেও এটি বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে। ছোট-বড় বিভিন্ন সাইজের এই কুলা পাওয়া যায়।

ফুল ঘরের শোভাবর্ধক। তবে ফুলের পাশাপাশি ইনডোর প্লান্টের চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে। বর্তমান ইনডোর প্লান্ট পাওয়া যাবে না শহরে এমন বাসার সংখ্যা হাতে গোনা। ফুলদানি কিংবা টব হিসেবে মাটি ও প্লাস্টিকের পাশাপাশি এখন বেতের টবও বেশ জনপ্রিয়। কারিগরদের সৃজনশীলতায় বেত ও কাঠের নান্দনিক মিশ্রণের ট্রেগুলোও এখন বেশ নজর কাড়ছে। পাশাপাশি বেতের বাটিও এখন বেশ চলছে।

যেখানে পাবেন

বিভিন্ন কুটিরশিল্প মেলায়, ঢাকার নিউ মার্কেট এলাকায়, দোয়েল চত্বর, আড়ং, রাপা প্লাজায় সব সময়ই পাওয়া যায় এসব পণ্য। তা ছাড়া ঢাকার হকাররা প্রায়ই বেতের এসব সামগ্রী বিক্রি করেন ভ্যানে করে।

দাম কেমন

এসব বেতের পণ্যের সাইজ ও ডিজাইনের ওপর দামের তারতম্য ঘটে। তবে ছোট বাটি ও ঝুড়ি ৩০০ টাকা থেকে পাওয়া যায়। এবং আকারের বড় ঝুড়িগুলোর দাম সাধারণত ৭০০-১২০০ টাকার মতো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা